হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই সারা গায়ে চুলকানি ঔষধ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে সারা গায়ে চুলকানি ঔষধ সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।
সারা গায়ে চুলকানি ঔষধ
সারা গায়ে চুলকানির কারণ অনেক হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অ্যালার্জি
- ত্বকের সংক্রমণ
- ত্বকের রোগ
- লিভারের সমস্যা
- কিডনির সমস্যা
- রক্তশূন্যতা
- মানসিক চাপ
চুলকানির কারণ নির্ণয়ের জন্য একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্ণয়ের পর, ডাক্তার উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারবেন।
চুলকানির চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত সাধারণ ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে:
- অ্যান্টিহিস্টামাইন: অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলি চুলকানির কারণ হিস্টামিনের কার্যকারিতাকে ব্লক করে।
- কর্টিকোস্টেরয়েড: কর্টিকোস্টেরয়েডগুলি প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- স্থানীয় অ্যান্টিপ্রুরিটিক: স্থানীয় অ্যান্টিপ্রুরিটিকগুলি চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
সারা গায়ে চুলকানির জন্য কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও কার্যকর হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
- ঠান্ডা জল দিয়ে গোসল করা: ঠান্ডা জল চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- অ্যালোভেরা জেল: অ্যালোভেরা জেল প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- ক্যালামাইন লোশন: ক্যালামাইন লোশন চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
সারা গায়ে চুলকানি হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:
- চুলকাতে যাবেন না। চুলকালে চুলকানি আরও বেড়ে যেতে পারে।
- ত্বক শুষ্ক রাখুন। ত্বক শুষ্ক হলে চুলকানি বেশি হতে পারে।
- ত্বক পরিষ্কার রাখুন। ত্বক নোংরা থাকলে চুলকানি বাড়তে পারে।
যদি সারা গায়ে চুলকানি হয় এবং তা থেকে মুক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।
চুলকানি দূর করার ঔষধের নাম

চুলকানি দূর করার ঔষধের নাম নির্ভর করে চুলকানির কারণ এবং তীব্রতার উপর।
অ্যান্টিহিস্টামাইন
অ্যান্টিহিস্টামাইন হল চুলকানির সবচেয়ে সাধারণ চিকিৎসা। অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলি চুলকানির কারণ হিস্টামিনের কার্যকারিতাকে ব্লক করে। অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলি মুখের মাধ্যমে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা সিরাপ আকারে, বা ইনজেকশন আকারে নেওয়া যেতে পারে।
স্থানীয় অ্যান্টিপ্রুরিটিক
স্থানীয় অ্যান্টিপ্রুরিটিকগুলি ত্বকে প্রয়োগ করা হয়। এগুলি বিভিন্ন আকারে পাওয়া যায়, যেমন ক্রিম, লোশন, জেল বা তেল। স্থানীয় অ্যান্টিপ্রুরিটিকগুলি চুলকানি কমাতে সাহায্য করে, তবে এগুলি সাধারণত অ্যান্টিহিস্টামাইনগুলির মতো কার্যকর নয়।
কর্টিকোস্টেরয়েড
কর্টিকোস্টেরয়েডগুলি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ। এগুলি তীব্র চুলকানি বা ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কর্টিকোস্টেরয়েডগুলি সাধারণত ত্বকে প্রয়োগ করা হয়, তবে এগুলি মুখের মাধ্যমে ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল আকারেও নেওয়া যেতে পারে।
অন্যান্য ওষুধ
কিছু ক্ষেত্রে, অন্যান্য ওষুধগুলিও চুলকানি দূর করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
- ইমিউনোসপ্রেসেন্টস: ইমিউনোসপ্রেসেন্টগুলি ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
- অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস: কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- মিউকালাইজার: মিউকালাইজার ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, যা চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
চুলকানি দূর করার জন্য কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও কার্যকর হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
- ঠান্ডা জল দিয়ে গোসল করা: ঠান্ডা জল চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- অ্যালোভেরা জেল: অ্যালোভেরা জেল প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- ক্যালেমিন লোশন: ক্যালামাইন লোশন চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
সারা গায়ে চুলকানি হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:
- চুলকাতে যাবেন না। চুলকালে চুলকানি আরও বেড়ে যেতে পারে।
- ত্বক শুষ্ক রাখুন। ত্বক শুষ্ক হলে চুলকানি বেশি হতে পারে।
- ত্বক পরিষ্কার রাখুন। ত্বক নোংরা থাকলে চুলকানি বাড়তে পারে।
যদি সারা গায়ে চুলকানি হয় এবং তা থেকে মুক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।
চুলকানির ঔষধের নাম স্কয়ার
বাংলাদেশে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বেশ কয়েকটি চুলকানির ঔষধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- স্কয়ার সেট্রাফোর্ট
- স্কয়ার হিস্তাজল
- স্কয়ার লোরাটাডাইন
- স্কয়ার ট্রাইক্লোরোসায়ানিড
- স্কয়ার ক্যালোমাইন
স্কয়ার সেট্রাফোর্ট একটি অ্যান্টিহিস্টামাইন ওষুধ। এটি সারা গায়ে চুলকানি, ত্বকের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক বন্ধ হওয়া, চোখের জল পড়া, এবং অন্যান্য অ্যালার্জির লক্ষণগুলির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
স্কয়ার হিস্তাজল একটি অ্যান্টিহিস্টামাইন ওষুধ। এটিও সারা গায়ে চুলকানি, ত্বকের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক বন্ধ হওয়া, চোখের জল পড়া, এবং অন্যান্য অ্যালার্জির লক্ষণগুলির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
স্কয়ার লোরাটাডাইন একটি দীর্ঘক্ষণ কার্যকর অ্যান্টিহিস্টামাইন ওষুধ। এটি সারা গায়ে চুলকানি, ত্বকের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক বন্ধ হওয়া, চোখের জল পড়া, এবং অন্যান্য অ্যালার্জির লক্ষণগুলির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
স্কয়ার ট্রাইক্লোরোসায়ানিড একটি ত্বকের সংক্রমণ প্রতিরোধক ওষুধ। এটি ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, এবং অন্যান্য ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
স্কয়ার ক্যালোমাইন একটি চুলকানি প্রতিরোধক ওষুধ। এটি চুলকানি, ফুসকুড়ি, এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
আপনার চুলকানির কারণ এবং তীব্রতার উপর নির্ভর করে আপনার জন্য কোন ঔষধটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা নির্ধারণ করবেন একজন ডাক্তার।
চুলকানি দূর করার ক্রিম
চুলকানি দূর করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্রিম বাজারে পাওয়া যায়। এগুলির মধ্যে রয়েছে:
- অ্যান্টিহিস্টামাইন ক্রিম: অ্যান্টিহিস্টামাইন ক্রিম চুলকানির কারণ হিস্টামিনের কার্যকারিতাকে ব্লক করে।
- কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম: কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ। এগুলি তীব্র চুলকানি বা ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- অ্যালোভেরা ক্রিম: অ্যালোভেরা ক্রিম প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- ক্যালেমিন ক্রিম: ক্যালামাইন ক্রিম চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
চুলকানির কারণ এবং তীব্রতার উপর নির্ভর করে কোন ক্রিমটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা নির্ধারণ করবেন একজন ডাক্তার।
অ্যান্টিহিস্টামাইন ক্রিম
অ্যান্টিহিস্টামাইন ক্রিমগুলি চুলকানির কারণ হিস্টামিনের কার্যকারিতাকে ব্লক করে। এগুলি সাধারণত ত্বকে প্রয়োগ করা হয়। অ্যান্টিহিস্টামাইন ক্রিমগুলি সাধারণত হালকা চুলকানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম
কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিমগুলি শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ। এগুলি তীব্র চুলকানি বা ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিমগুলি সাধারণত ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, এবং অ্যালার্জিক চুলকানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
অ্যালোভেরা ক্রিম
অ্যালোভেরা ক্রিম প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। এগুলি সাধারণত হালকা চুলকানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ক্যালেমিন ক্রিম
ক্যালেমিন ক্রিম চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। এগুলি সাধারণত হালকা চুলকানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
চুলকানি দূর করার ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম
চুলকানি দূর করার ক্রিম ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত নিয়মগুলি মেনে চলুন:
- ক্রিমটি ব্যবহার করার আগে আপনার হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।
- ক্রিমটি প্রয়োগের আগে আক্রান্ত স্থানটি পরিষ্কার এবং শুকনো করুন।
- ক্রিমটি আক্রান্ত স্থানে পাতলা করে প্রয়োগ করুন।
- ক্রিমটি প্রয়োগ করার পরে আপনার হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।
চুলকানি দূর করার ক্রিম ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
চুলকানি দূর করার ক্রিমগুলির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
- **ত্বকের জ্বালাপোড়া
- **ত্বকের শুষ্কতা
- **ত্বকের রঙ পরিবর্তন
- **চুলকানি বৃদ্ধি
- ত্বকের সংক্রমণ
যদি আপনার চুলকানি দূর করার ক্রিম ব্যবহার করার পরে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
এলার্জি চুলকানি ঔষধের নাম
এলার্জি চুলকানি ঔষধের নাম সাধারণত এন্টিহিস্টামিন। এন্টিহিস্টামিন হলো এমন ঔষধ যা শরীরে হিস্টামিনের কার্যকারিতা প্রতিহত করে। হিস্টামিন হলো এক ধরনের রাসায়নিক যা শরীরে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এন্টিহিস্টামিন ঔষধ গ্রহণ করলে হিস্টামিনের কার্যকারিতা প্রতিহত হয় এবং এলার্জি চুলকানি কমে যায়।
এলার্জি চুলকানি ঔষধের কিছু সাধারণ নাম হলো:
- ন্যাসিভিওন এলার্জি ১২০ মিগ্রা ট্যাবলেট
- হিস্টাকাইন্ড ১২০ মিগ্রা ট্যাবলেট
- গ্লেনফাইন ১২০ মিগ্রা ট্যাবলেট
- অ্যালারনেক্স ১২০ মিগ্রা ট্যাবলেট
এছাড়াও, এলার্জি চুলকানি কমাতে স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করা যেতে পারে। স্টেরয়েড মলম ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি উপশম করে।
এলার্জি চুলকানি ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার আপনার এলার্জি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার উপর ভিত্তি করে আপনার জন্য উপযুক্ত ঔষধ নির্ধারণ করবেন।
এলার্জি চুলকানি কমাতে কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও কার্যকর হতে পারে। যেমন:
- ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলা
- চুলকানির স্থানে ঠান্ডা চামচ বা বরফ লাগানো
- অ্যালোভেরা জেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা
এলার্জি চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে এলার্জি প্রতিরোধ করাও গুরুত্বপূর্ণ। যেসব জিনিস আপনার এলার্জি সৃষ্টি করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
সারা গায়ে চুলকানি ঔষধ হোমিওপ্যাথি
হোমিওপ্যাথিতে সারা গায়ে চুলকানি দূর করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ওষুধের নির্বাচন রোগীর লক্ষণ এবং ব্যক্তিত্বের উপর ভিত্তি করে করা হয়।
সারা গায়ে চুলকানি দূর করার জন্য কিছু কার্যকর হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হলো:
- আর্স-আলবো: এটি একটি সাধারণ ওষুধ যা বিভিন্ন ধরনের চুলকানির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ঠান্ডা বা গরম আবহাওয়ায় চুলকানি, চুলকানি থেকে রক্তপাত, এবং চুলকানি যা রাতে বা ঘুমের পরে খারাপ হয়।
- ন্যাট্রাম কার্ব: এটি একটি আরেকটি সাধারণ ওষুধ যা বিভিন্ন ধরনের চুলকানির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ঘামের পরে চুলকানি, ত্বকের শুষ্কতা, এবং চুলকানি যা লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার পরে বা গরমের আবহাওয়ায় খারাপ হয়।
- সালফার: এটি একটি শক্তিশালী ওষুধ যা বিভিন্ন ধরনের চুলকানির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত রাতারাতি চুলকানি, চুলকানি যা ঘাম বা পানিতে আক্রান্ত স্থানে বা ত্বকের ফাটল বা ক্ষত স্থানে খারাপ হয়।
- হিস্টামিনাম: এটি একটি হোমিওপ্যাথিক প্রতিরূপ ওষুধ যা এলার্জির কারণে চুলকানি জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ত্বকের ফুসকুড়ি, হাঁচি, নাক বন্ধ হওয়া, এবং চোখের জল পড়ার সাথে যুক্ত চুলকানি জন্য ব্যবহৃত হয়।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহারের আগে একজন যোগ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত। চিকিৎসক রোগীর লক্ষণ এবং ব্যক্তিত্বের উপর ভিত্তি করে আপনার জন্য উপযুক্ত ওষুধ নির্ধারণ করবেন।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ছাড়াও, সারা গায়ে চুলকানি কমাতে কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও কার্যকর হতে পারে। যেমন:
- ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা
- চুলকানির স্থানে ঠান্ডা চামচ বা বরফ লাগানো
- অ্যালোভেরা জেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা
এছাড়াও, চুলকানি প্রতিরোধ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:
- অ্যালার্জির কারণ এড়িয়ে চলুন
- ত্বক শুষ্ক রাখুন
- ত্বক পরিষ্কার রাখুন
চুলকানির ঔষধের নাম মলম
চুলকানির কারণে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। যেমন:
- এলার্জি: বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, খাবার, বা প্রাণীর লোম ইত্যাদির প্রতিক্রিয়ায় এলার্জি হতে পারে। এলার্জি চুলকানি সাধারণত ত্বকের ফুসকুড়ি, লালভাব, এবং চুলকানি দিয়ে শুরু হয়।
- দাদ: ছত্রাক সংক্রমণের কারণে দাদ হতে পারে। দাদ চুলকানি সাধারণত ত্বকের গোলাকার বা আয়তাকার দাগ দিয়ে শুরু হয়।
- একজিমা: ত্বকের শুষ্কতা, প্রদাহ, এবং চুলকানি নিয়ে একজিমা হয়। একজিমা চুলকানি সাধারণত ত্বকের হাত, পা, ঘাড়, এবং মুখের চারপাশে হয়।
- খুশকি: মাথার ত্বকের শুষ্কতা এবং পিলিংয়ের কারণে খুশকি হয়। খুশকি চুলকানি সাধারণত মাথার ত্বকে হয়।
চুলকানির কারণে ত্বকের যে ধরনের সমস্যাই হোক না কেন, চুলকানি উপশম করার জন্য মলম ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকানির মলমের প্রধান কাজ হলো ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে চুলকানি উপশম করা।
চুলকানির মলমের কিছু সাধারণ নাম হলো:
- ক্লোবেটাসোল মলম: এটি একটি শক্তিশালী স্টেরয়েড মলম যা ত্বকের প্রদাহ এবং চুলকানি কমাতে কার্যকর।
- বেটামেথাসোন মলম: এটি একটি স্টেরয়েড মলম যা ক্লোবেটাসোল মলমের চেয়ে কম শক্তিশালী।
- হিস্টামিন মলম: এটি একটি এন্টিহিস্টামিন মলম যা ত্বকের চুলকানি কমাতে কার্যকর।
- লিডোকেইন মলম: এটি একটি ব্যথানাশক মলম যা ত্বকের চুলকানি এবং ব্যথা কমাতে কার্যকর।
চুলকানির মলম ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার আপনার চুলকানির কারণ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার উপর ভিত্তি করে আপনার জন্য উপযুক্ত মলম নির্ধারণ করবেন।
চুলকানির মলম ব্যবহারের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:
- মলম শুধুমাত্র আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন।
- মলম ব্যবহারের পরে হাত ধুয়ে ফেলুন।
- মলম ব্যবহারের সময় চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
- যদি মলম ব্যবহারের পরে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে মলম ব্যবহারের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া প্রতিকারও কার্যকর হতে পারে। যেমন:
- ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা
- চুলকানির স্থানে ঠান্ডা চামচ বা বরফ লাগানো
- অ্যালোভেরা জেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা
চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন
চুলকানি একটি সাধারণ সমস্যা যা যেকোনো বয়সের যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো সময় হতে পারে। চুলকানির অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন:
- এলার্জি: বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, খাবার, বা প্রাণীর লোম ইত্যাদির প্রতিক্রিয়ায় এলার্জি হতে পারে। এলার্জি চুলকানি সাধারণত ত্বকের ফুসকুড়ি, লালভাব, এবং চুলকানি দিয়ে শুরু হয়।
- দাদ: ছত্রাক সংক্রমণের কারণে দাদ হতে পারে। দাদ চুলকানি সাধারণত ত্বকের গোলাকার বা আয়তাকার দাগ দিয়ে শুরু হয়।
- একজিমা: ত্বকের শুষ্কতা, প্রদাহ, এবং চুলকানি নিয়ে একজিমা হয়। একজিমা চুলকানি সাধারণত ত্বকের হাত, পা, ঘাড়, এবং মুখের চারপাশে হয়।
- খুশকি: মাথার ত্বকের শুষ্কতা এবং পিলিংয়ের কারণে খুশকি হয়। খুশকি চুলকানি সাধারণত মাথার ত্বকে হয়।
চুলকানি দূর করার জন্য অনেক উপায় রয়েছে। চুলকানির কারণ নির্ণয় করে তার উপযুক্ত চিকিৎসা করা জরুরি। তবে, কিছু সহজ উপায়ে চুলকানি দূর করা যায়।
চুলকানি দূর করার কিছু সহজ উপায় হলো:
- ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা: ঠান্ডা পানি ত্বকের রক্তপ্রবাহ কমিয়ে চুলকানি উপশম করতে সাহায্য করে।
- চুলকানির স্থানে ঠান্ডা চামচ বা বরফ লাগানো: ঠান্ডা চামচ বা বরফ ত্বকের উপরে লাগালে চুলকানি কমে যায়।
- অ্যালোভেরা জেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা: অ্যালোভেরা জেল এবং ক্যাস্টর অয়েল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
- ত্বক পরিষ্কার রাখা: ত্বক পরিষ্কার রাখলে ত্বকের উপর জমে থাকা ধুলোবালি এবং ময়লা দূর হয় এবং চুলকানি কমে যায়।
- ত্বক শুষ্ক রাখা: ত্বক শুষ্ক থাকলে চুলকানি কম হয়। তাই ত্বককে আর্দ্র রাখতে অতিরিক্ত লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
- অ্যালকোহল এবং কৃত্রিম সুগন্ধিযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলুন: অ্যালকোহল এবং কৃত্রিম সুগন্ধিযুক্ত পণ্য ত্বকের শুষ্কতা বাড়ায় এবং চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসব পণ্য এড়িয়ে চলুন।
চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে এসব সহজ উপায়গুলো অনুসরণ করতে পারেন। তবে, যদি চুলকানি বেশি হয় বা দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়
চুলকানি একটি সাধারণ সমস্যা যা যেকোনো বয়সের যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো সময় হতে পারে। চুলকানির অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন:
- এলার্জি: বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, খাবার, বা প্রাণীর লোম ইত্যাদির প্রতিক্রিয়ায় এলার্জি হতে পারে। এলার্জি চুলকানি সাধারণত ত্বকের ফুসকুড়ি, লালভাব, এবং চুলকানি দিয়ে শুরু হয়।
- দাদ: ছত্রাক সংক্রমণের কারণে দাদ হতে পারে। দাদ চুলকানি সাধারণত ত্বকের গোলাকার বা আয়তাকার দাগ দিয়ে শুরু হয়।
- একজিমা: ত্বকের শুষ্কতা, প্রদাহ, এবং চুলকানি নিয়ে একজিমা হয়। একজিমা চুলকানি সাধারণত ত্বকের হাত, পা, ঘাড়, এবং মুখের চারপাশে হয়।
- খুশকি: মাথার ত্বকের শুষ্কতা এবং পিলিংয়ের কারণে খুশকি হয়। খুশকি চুলকানি সাধারণত মাথার ত্বকে হয়।
চুলকানি দূর করার জন্য অনেক উপায় রয়েছে। চুলকানির কারণ নির্ণয় করে তার উপযুক্ত চিকিৎসা করা জরুরি। তবে, কিছু ঘরোয়া উপায়ে চুলকানি দূর করা যায়।
পরিশেষে
আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের সারা গায়ে চুলকানি ঔষধ এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
আরো পড়ুনঃ ব্রণ দূর করার ইসলামিক উপায়