স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

“স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো” কবিতাটি নির্মলেন্দু গুণের “ধ্রুবতারা” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এটি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের অনুপ্রেরণায় রচিত। কবিতাটিতে কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখান যে, স্বাধীনতা একটি অর্জন, যা সহজেই আসেনি। এর জন্য বাঙালি জাতির দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে।

কবিতার শুরুতে কবি বলেছেন যে, স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।

কবিতার দ্বিতীয় অংশে কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। এই সংগ্রামে অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

কবিতার তৃতীয় অংশে কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।

কবিতার চতুর্থ অংশে কবি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

কবিতার শেষাংশে কবি বলেছেন যে, স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ। এই সম্পদকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে জাগ্রত করে।

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কবিতার ব্যাখ্যা

“স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো” কবিতাটি নির্মলেন্দু গুণের লেখা একটি ঐতিহাসিক কবিতা। এটি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের অনুপ্রেরণায় রচিত। কবিতাটিতে কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখান যে, স্বাধীনতা একটি অর্জন, যা সহজেই আসেনি। এর জন্য বাঙালি জাতির দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

কবিতার প্রথম স্তবকে কবি বলেছেন যে, স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তিনি বলেছেন,

“স্বাধীনতা শব্দটি কঠিন, কঠিন যেমন লোহার খনিতে রত্নখণ্ড খোঁজা। স্বাধীনতা শব্দটি কঠিন, কঠিন যেমন আগুনের মধ্যে বরফের খণ্ড রাখা।”

কবিতার দ্বিতীয় স্তবকে কবি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। এই সংগ্রামে অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

“আমাদের পূর্বপুরুষেরা লড়াই করেছে যুদ্ধ করেছে, রক্ত দিয়েছে প্রাণ দিয়েছে, স্বাধীনতার জন্য।”

কবিতার তৃতীয় স্তবকে কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

“সেই ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।’ সেই ভাষণে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য নতুন করে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।”

কবিতার চতুর্থ স্তবকে কবি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তিনি বলেছেন,

“দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।”

কবিতার শেষাংশে কবি বলেছেন যে, স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ। এই সম্পদকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেছেন,

“স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ, এই সম্পদকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।”

কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এটি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে জাগ্রত করে। কবিতাটি আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে, স্বাধীনতা একটি সহজ অর্জন নয়। এর জন্য আমাদের দীর্ঘ ও কঠিন সংগ্রাম করতে হয়। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

আরো পড়ুনঃ  কি ছিলে আমার বলনা তুমি লিরিক্স

কবিতাটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপ:

  • স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ।
  • স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করতে হয়।
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করে।
  • স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও চেতনা সম্পর্কে আমাদেরকে জানায়। এটি আমাদেরকে স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য সচেতন ও সজাগ থাকতে অনুপ্রাণিত করে। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো Mcq

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কবিতার উপর ভিত্তি করে কিছু MCQ প্রশ্ন নিম্নরূপ:

১. কবিতায় স্বাধীনতা শব্দটিকে কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?

(ক) একটি কঠিন শব্দ
(খ) একটি সহজ শব্দ
(গ) একটি রহস্যময় শব্দ
(ঘ) একটি অমূল্য শব্দ

উত্তর: (ঘ)

২. কবিতায় স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের ইতিহাসকে কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?

(ক) ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকে
(খ) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর থেকে
(গ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে
(ঘ) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে

উত্তর: (ক)

৩. কবিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?

(ক) এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।
(খ) এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করেন।
(গ) এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে ব্যর্থ করে দেন।
(ঘ) এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে কঠিন করে তোলেন।

উত্তর: (ক)

৪. কবিতায় স্বাধীনতার গুরুত্ব কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?

(ক) স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ।
(খ) স্বাধীনতা একটি সহজ অর্জন।
(গ) স্বাধীনতা একটি রহস্যময় বস্তু।
(ঘ) স্বাধীনতা একটি কঠিন শব্দ।

উত্তর: (ক)

৫. কবিতায় কবিতাটির মূল বক্তব্য কীভাবে প্রকাশ করা হয়েছে?

আরো পড়ুনঃ  কি ছিলে আমার বলনা তুমি লিরিক্স

(ক) স্বাধীনতা একটি সহজ অর্জন।
(খ) স্বাধীনতা একটি কঠিন শব্দ।
(গ) স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ।
(ঘ) স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

উত্তর: (ঘ)

এই প্রশ্নগুলি ছাড়াও, কবিতায় উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কে MCQ প্রশ্ন করা যেতে পারে।

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কবিতা আবৃত্তি

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো

কবি: নির্মলেন্দু গুণ

আবৃত্তি: Bard

স্বাধীনতা শব্দটি কঠিন,
কঠিন যেমন লোহার খনিতে
রত্নখণ্ড খোঁজা।
স্বাধীনতা শব্দটি কঠিন,
কঠিন যেমন আগুনের মধ্যে
বরফের খণ্ড রাখা।

আমাদের পূর্বপুরুষেরা
লড়াই করেছে যুদ্ধ করেছে,
রক্ত দিয়েছে প্রাণ দিয়েছে,
স্বাধীনতার জন্য।

১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর
বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য
সংগ্রাম শুরু করে।
এই সংগ্রামে অনেক মানুষ
জীবন দিয়েছে।

সেই ৭ই মার্চের ভাষণে
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন,
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।”
সেই ভাষণে বাঙালি জাতি
স্বাধীনতার জন্য নতুন করে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর
অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ,
এই সম্পদকে রক্ষা করতে
আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কবিতা লিরিক্স

স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কবিতার উপর ভিত্তি করে কিছু সৃজনশীল প্রশ্ন নিম্নরূপ:

১. কবিতায় কবি স্বাধীনতা শব্দটিকে একটি কঠিন শব্দ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তোমার মতে, কেন স্বাধীনতা একটি কঠিন শব্দ?

উত্তর: কবি স্বাধীনতা শব্দটিকে একটি কঠিন শব্দ হিসেবে তুলে ধরেছেন কারণ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অনেক কঠিন সংগ্রাম করতে হয়। স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ, কিন্তু এই সম্পদকে অর্জন করতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে হয় রক্ত, অশ্রু, প্রাণ দিয়ে। স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে হয় অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে। তাই স্বাধীনতা একটি কঠিন শব্দ। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

আরো পড়ুনঃ  লিজা নামের রাশি কি

২. কবিতায় কবি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। তোমার মতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের কোন ঘটনাটি তোমার মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে?

উত্তর: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের অনেক ঘটনাই আমার মনে দাগ কেটেছে। কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। এই ভাষণই আমাদের স্বাধীনতার পথ সুগম করে। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

৩. কবিতায় কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তোমার মতে, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের গুরুত্ব কী?

উত্তর: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অমূল্য সম্পদ। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। এই ভাষণই আমাদের স্বাধীনতার পথ সুগম করে।

৪. কবিতায় কবি স্বাধীনতাকে একটি অমূল্য সম্পদ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তোমার মতে, কেন স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ?

উত্তর: স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ কারণ স্বাধীনতা ছাড়া মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে না। স্বাধীনতার মধ্যেই মানুষের জীবনের অর্থ নিহিত। স্বাধীনতা ছাড়া মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশ সম্ভব নয়। স্বাধীনতা ছাড়া মানুষের অধিকার রক্ষা সম্ভব নয়। তাই স্বাধীনতা একটি অমূল্য সম্পদ। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

৫. কবিতায় কবি স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তোমার মতে, কেন স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে?

উত্তর: স্বাধীনতা একটি অর্জিত সম্পদ। এই সম্পদকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। আমাদের জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে। আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে। তাই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। স্বাধীনতা শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো কোন কাব্যগ্রন্থের

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top