ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

https://jobbd.org/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%a8/

ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য এবং ২০২১ সালের মে মাসে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কি?

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের ১৪ই জানুয়ারি পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন।

তিনি ১৮৯১ সালের ২৪শে ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯২১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩৭ সালে কলকাতা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর, তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি তার মেয়াদে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ১৮ই ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নাম কি

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন হর্ষ বর্ধন। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য এবং ২০২১ সালের মে মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

ভারতের খাদ্য মন্ত্রীর নাম কি

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের খাদ্যমন্ত্রী হলেন পশু পাতি কুমার পারস। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য এবং ২০২১ সালের মে মাসে খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

ভারতের বর্তমান অর্থমন্ত্রীর নাম কি

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের বর্তমান অর্থমন্ত্রী হলেন নির্মলা সীতারামন। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য এবং ২০১৯ সালের মে মাসে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের প্রথম পূর্ণ সময়ের মহিলা অর্থমন্ত্রী।

আরো পড়ুনঃ  বাংলাদেশ বনাম আয়ারল্যান্ড কোন চ্যানেলে দেখাবে

সীতারামন ১৯৫৯ সালের ১৮ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে বড় হন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

তিনি ১৯৯১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। তিনি ২০০৯ সালে কর্ণাটকের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন।

২০১৭ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর, সীতারামন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের দ্বিতীয় নারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি ২০১৯ সালের ৩১শে মে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

সীতারামন একজন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

বর্তমানে ভারতের অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী কে

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী হলেন নির্মলা সীতারামন। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য এবং ২০১৯ সালের মে মাসে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের প্রথম পূর্ণ সময়ের মহিলা অর্থমন্ত্রী।

সীতারামন ১৯৫৯ সালের ১৮ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে বড় হন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৯১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। তিনি ২০০৯ সালে কর্ণাটকের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

২০১৭ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর, সীতারামন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের দ্বিতীয় নারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি ২০১৯ সালের ৩১শে মে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

সীতারামন একজন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

মন্ত্রী কত প্রকার?

মন্ত্রীদের বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ রয়েছে। সাধারণত, মন্ত্রীদের পদমর্যাদা অনুসারে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়:

  • পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী: মন্ত্রিসভার একজন পূর্ণাঙ্গ সদস্য, যিনি একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • প্রতিমন্ত্রী: একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর সহকারী, যিনি মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • উপমন্ত্রী: একজন প্রতিমন্ত্রীর সহকারী, যিনি মন্ত্রণালয়ের আরও নির্দিষ্ট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
আরো পড়ুনঃ  হারিয়ে যাওয়া মানুষকে নিয়ে কিছু কথা

এছাড়াও, মন্ত্রীদের কার্যপরিধি অনুসারে বিভিন্ন ধরনের মন্ত্রীর পদ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারে নিম্নলিখিত ধরনের মন্ত্রী রয়েছে:

  • প্রধানমন্ত্রী: সরকারের প্রধান।
  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব: মন্ত্রিসভার প্রধান নির্বাহী।
  • প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রী: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • প্রতিরক্ষা মন্ত্রী: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • অর্থ মন্ত্রী: অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

এছাড়াও, বিভিন্ন দেশের সরকারে বিভিন্ন ধরনের মন্ত্রীর পদ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিম্নলিখিত ধরনের মন্ত্রী রয়েছে:

  • রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মন্ত্রী: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রী: পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী: অর্থ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • আভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী: আভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
  • প্রতিরক্ষা মন্ত্রী: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

সাধারণভাবে, মন্ত্রীদের পদমর্যাদা এবং কার্যপরিধি সরকারের শাসনব্যবস্থার উপর নির্ভর করে।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

মন্ত্রী সভায় মোট সদস্য সংখ্যা কত?

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৫০ থেকে ৭০ এর মধ্যে থাকে।

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৭২। এদের মধ্যে ২৭ জন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী, ৩৫ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ২০ জন উপমন্ত্রী।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে:

  • সরকারের কার্যক্রমের পরিধি: সরকারের কার্যক্রমের পরিধি যত বেশি হবে, মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা তত বেশি হবে।
  • সরকারের শাসনব্যবস্থা: সরকারের শাসনব্যবস্থা যত জটিল হবে, মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা তত বেশি হবে।
  • সরকারের সমর্থনের ভিত্তি: সরকারের সমর্থনের ভিত্তি যত শক্তিশালী হবে, মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা তত বেশি হবে।

এছাড়াও, বিভিন্ন দেশের সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যাও ভিন্ন ভিন্ন। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ২০। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকে।

আরো পড়ুনঃ  ভারত বনাম পাকিস্তান টেস্ট পরিসংখ্যান

সাধারণভাবে, মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা সরকারের কার্যক্রমের পরিধি, শাসনব্যবস্থা এবং সমর্থনের ভিত্তি ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

সিপিএম কত বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করে

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) (সিপিএম) ১৯৭৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ৩৪ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করে। এই সময়ে, সিপিএম-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যে ব্যাপক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করে।

১৯৭৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট জয়লাভ করে এবং জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী হন। এটি ছিল ভারতের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কমিউনিস্ট দলের ক্ষমতায় আসা।

বামফ্রন্ট সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, যোগাযোগ, পরিবহন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পায়, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নতি হয়, শিল্পায়ন হয়, যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি হয়।

বামফ্রন্ট সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ রক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করে এবং সিপিএম-এর ৩৪ বছরের শাসনকালের অবসান ঘটে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অবস্থা কি

২০২৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পর্যন্ত, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অবস্থা নিম্নরূপ:

  • সরকার: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
  • বিরোধী দল: ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল।
  • অন্যান্য দল: পশ্চিমবঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে রয়েছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (জিজেএম), সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক (এসএফবি), বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল (বিএসপি), মার্ক্সবাদী ফরওয়ার্ড ব্লক (এমএফবি), রাষ্ট্রীয় সেক্যুলার মজলিস পার্টি (আরএসএমপি), ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)।

২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২১৩টি আসনে জয়লাভ করে। বিজেপি ৭৭টি আসনে জয়লাভ করে। জিজেএম ৭টি আসনে জয়লাভ করে। এসএফবি ২টি আসনে জয়লাভ করে। আরএসএমপি ১টি আসনে জয়লাভ করে।

তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, যোগাযোগ, পরিবহন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে, বিরোধী দলগুলি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি অভিযোগ করে থাকে।ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর নাম কি

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী হতে পারে তা এখনই বলা কঠিন। তবে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হয়।

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top