বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

https://jobbd.org/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%95/

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য দুইটি উপায় রয়েছে: অনলাইন এবং অফলাইনে।

অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম:

প্রথম ধাপ:

প্রথমে আপনাকে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের হোমপেজে “রেজিস্ট্রেশন” বাটনে ক্লিক করুন।

দ্বিতীয় ধাপ:

একটি নতুন পৃষ্ঠা আসবে। এখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। এরপর “সিকিউরিটি কোড” ঘরের পাশে দেখানো “সিকিউরিটি কোড” দিয়ে পূরণ করুন। সবশেষে “রেজিস্টার” বাটনে ক্লিক করুন।

তৃতীয় ধাপ:

আপনার দেয়া ইমেইল ঠিকানায় একটি অ্যাক্টিভেশন লিঙ্ক পাঠানো হবে। সেই লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন

চতুর্থ ধাপ:

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আপনি লগইন করতে পারবেন। লগইন করার জন্য ইমেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড প্রবেশ করুন।

পঞ্চম ধাপ:

লগইন করার পর টিকিট কাটার জন্য “টিকিট কাটুন” বাটনে ক্লিক করুন।

ষষ্ঠ ধাপ:

একটি নতুন পৃষ্ঠা আসবে। এখানে ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। সবশেষে “টিকিট সার্চ করুন” বাটনে ক্লিক করুন।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

সপ্তম ধাপ:

টিকিট সার্চ করার পর উপলব্ধ আসন দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দের আসনটি সিলেক্ট করুন। সবশেষে “টিকিট বুক করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

অষ্টম ধাপ:

টিকিট বুক করার পর আপনাকে টিকিট মূল্য পরিশোধ করতে হবে। টিকিট মূল্য পরিশোধ করার জন্য “পেমেন্ট” বাটনে ক্লিক করুন।

নবম ধাপ:

পেমেন্ট করার পর টিকিট আপনার ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে।

অফলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম:

প্রথম ধাপ:

আপনার নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে যান।

দ্বিতীয় ধাপ:

টিকিট কাউন্টারে ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।

তৃতীয় ধাপ:

টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট মূল্য পরিশোধ করুন।

চতুর্থ ধাপ:

টিকিট আপনার হাতে পাবেন।

টিকিট কাটার বিষয়ে কিছু টিপস:

  • টিকিট কাটার জন্য সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।
  • টিকিট কাটার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সাথে রাখবেন।
  • টিকিট কাটার সময় আপনার যাত্রীর তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করবেন।
  • টিকিট কাটার পর টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিবেন।

আশা করি এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট অনলাইন

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট অনলাইনে কাটার নিয়ম:

প্রথম ধাপ:

প্রথমে আপনাকে www.eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের হোমপেজে “অগ্রিম টিকিট” বাটনে ক্লিক করুন।

দ্বিতীয় ধাপ:

একটি নতুন পৃষ্ঠা আসবে। এখানে ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। সবশেষে “টিকিট সার্চ করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

তৃতীয় ধাপ:

টিকিট সার্চ করার পর উপলব্ধ আসন দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দের আসনটি সিলেক্ট করুন। সবশেষে “টিকিট বুক করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

চতুর্থ ধাপ:

টিকিট বুক করার পর আপনাকে টিকিট মূল্য পরিশোধ করতে হবে। টিকিট মূল্য পরিশোধ করার জন্য “পেমেন্ট” বাটনে ক্লিক করুন।

পঞ্চম ধাপ:

পেমেন্ট করার পর টিকিট আপনার ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে।

অগ্রিম টিকিট কাটার জন্য কিছু টিপস:

  • অগ্রিম টিকিট কাটার জন্য সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়।
  • অগ্রিম টিকিট কাটার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সাথে রাখবেন।
  • অগ্রিম টিকিট কাটার সময় আপনার যাত্রীর তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করবেন।
  • অগ্রিম টিকিট কাটার পর টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিবেন।

অগ্রিম টিকিট কাটার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

  • ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
  • টিকিট মূল্য পরিশোধ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।
  • টিকিট কাটার পর টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

অগ্রিম টিকিট কাটার সময় কিছু সমস্যা হতে পারে:

  • অনেক সময় ট্রেনের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
  • অনলাইনে টিকিট কাটার সময় নেটওয়ার্ক সমস্যা হতে পারে।
  • অনলাইনে টিকিট কাটার সময় সার্ভার ক্র্যাশ হতে পারে।

এই সমস্যাগুলো এড়াতে হলে অগ্রিম টিকিট কাটার জন্য যথেষ্ট আগে থেকেই চেষ্টা করতে হবে।

ট্রেনের টিকিট কাটার অ্যাপস

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য দুইটি অ্যাপস রয়েছে:

  • রেল সেবা
  • BD Railway Ticket and Schedule

রেল সেবা অ্যাপটি বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং সহজ সিনেসিস ভিনসেন জেভি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপটি দিয়ে আপনি অনলাইনে এবং অফলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন।

BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপটি BD Apps দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপটি দিয়ে শুধুমাত্র অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

রেল সেবা অ্যাপটির মাধ্যমে যে সকল সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলো হল:

  • অনলাইনে এবং অফলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সুবিধা।
  • ট্রেনের সময়সূচী দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের আসন বিন্যাস দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের টিকিট বুক করার পর ইমেইল এবং অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট পাওয়ার সুবিধা।

BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপটির মাধ্যমে যে সকল সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলো হল:

  • অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সুবিধা।
  • ট্রেনের সময়সূচী দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের আসন বিন্যাস দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের টিকিট বুক করার পর ইমেইল এবং অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট পাওয়ার সুবিধা।

আপনার প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুযায়ী আপনি যেকোনো একটি অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।

মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং

মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য রেল সেবা এবং BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপ দুটিই Google Play Store থেকে ডাউনলোড করা যায়।

রেল সেবা অ্যাপটি দিয়ে আপনি অনলাইনে এবং অফলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন। BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপটি দিয়ে শুধুমাত্র অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন।

রেল সেবা অ্যাপ দিয়ে মোবাইল ট্রেন টিকেট বুক করার পদ্ধতি:

  1. আপনার মোবাইলে রেল সেবা অ্যাপটি খুলুন।
    Image of রেল সেবা অ্যাপ
  2. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন অথবা আপনার বিদ্যমান অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগ ইন করুন।
  3. “টিকিট কাটুন” ট্যাবটি নির্বাচন করুন।
  4. ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
  5. “টিকিট সার্চ করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
  6. উপলব্ধ আসন দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দের আসনটি সিলেক্ট করুন।
  7. “টিকিট বুক করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
  8. টিকিট মূল্য পরিশোধ করার জন্য “পেমেন্ট” বাটনে ক্লিক করুন।
  9. পেমেন্ট করার পর টিকিট আপনার ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে।

BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপ দিয়ে মোবাইল ট্রেন টিকেট বুক করার পদ্ধতি:

  1. আপনার মোবাইলে BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপটি খুলুন।
    Image of BD Railway Ticket and Schedule অ্যাপ
  2. “টিকিট কাটুন” ট্যাবটি নির্বাচন করুন।
  3. ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
  4. “টিকিট সার্চ করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
  5. উপলব্ধ আসন দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দের আসনটি সিলেক্ট করুন।
  6. “টিকিট বুক করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
  7. টিকিট মূল্য পরিশোধ করার জন্য “পেমেন্ট” বাটনে ক্লিক করুন।
  8. পেমেন্ট করার পর টিকিট আপনার অ্যাপের মাধ্যমে পাবেন।

মোবাইল ট্রেন টিকিট বুক করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

  • ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা এবং যাত্রীর তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
  • টিকিট মূল্য পরিশোধ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।
  • টিকিট কাটার পর টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

মোবাইল ট্রেন টিকিট বুক করার সুবিধা:

  • অনলাইনে বা অফলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা।
  • ট্রেনের সময়সূচী দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের আসন বিন্যাস দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের টিকিট বুক করার পর ইমেইল এবং অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট পাওয়ার সুবিধা।

বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট মূল্য ২০২৩

বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট মূল্য ২০২৩

শ্রেণি শোভন চেয়ার স্নিগ্ধা এসি চেয়ার এসি বার্থ
প্রথম ৭০০ ১১০০ ১৩০০ ১৬০০
দ্বিতীয় ৫০০ ৭০০ ৯০০ ১১০০
তৃতীয় ৩০০ ৫০০ ৭০০ ৯০০
সীট কেবিন (২ টি সিট) ১২৫০ ২০০০ ২৫০০ ৩০০০
সীট কেবিন (৪ টি সিট) ২৫০০ ৩৫০০ ৪৫০০ ৫৫০০
বার্থ (৪ টি সিট) ২৫০০ ৩৫০০ ৪৫০০ ৫৫০০
বার্থ (৬ টি সিট) ৩০০০ ৪০০০ ৫০০০ ৬০০০
বার্থ (৮ টি সিট) ৩৫০০ ৪৫০০ ৫৫০০ ৬৫০০
বার্থ (১২ টি সিট) ৪০০০ ৫০০০ ৬০০০ ৭০০০

শিশুদের জন্য ছাড়:

  • ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বিনামূল্যে যাত্রা।
  • ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অর্ধেক মূল্য।

বিশেষ ছাড়:

  • সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং ছাত্রদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ট্রেনে ছাড় দেওয়া হয়।
  • প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে যাত্রা।

টিকিট মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি:

  • ডেবিট কার্ড
  • ক্রেডিট কার্ড
  • বিকাশ
  • রকেট
  • নগদ

টিকিট কাটার সময়সীমা:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে টিকিট কাটা যায়।

টিকিট পরিবর্তন বা বাতিলের নিয়ম:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট পরিবর্তন বা বাতিল করা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৭২ ঘণ্টার পর টিকিট পরিবর্তন বা বাতিল করা গেলে টিকিট মূল্যের ৫০% জরিমানা দিতে হবে।

টিকিট সংক্রান্ত অভিযোগ:

  • ট্রেনের টিকিট সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে অনলাইনে অভিযোগ করা যায়।
  • অথবা, বাংলাদেশ রেলওয়ের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ করা যায়।

হেল্পলাইন নম্বর: ১৬১৬১

ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সূচি

ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সূচি:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে টিকিট কাটা যায়।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সূচি:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে সকাল ৬ টা থেকে অনলাইনে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে অনলাইনে টিকিট কাটা যায়।

স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সূচি:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে স্টেশন থেকে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে স্টেশন থেকে টিকিট কাটা যায়।

ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা নির্ধারণের কারণ:

  • ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় যাতে যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা আগে থেকেই করতে পারে।
  • এতে করে ট্রেনের আসনগুলো আগে থেকেই বুক হয়ে যায় এবং যাত্রীদের ভ্রমণের জন্য অনিশ্চয়তা থাকে না।

ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা সম্পর্কে কিছু টিপস:

  • আপনি যদি আপনার ভ্রমণের তারিখ আগে থেকেই জানেন, তাহলে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার আগেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • আপনি যদি ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন টিকিট কাটতে চান, তাহলে সকালে সকাল ৬ টার আগে স্টেশনে চলে যান।

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময়

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময়:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে স্টেশন থেকে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে স্টেশন থেকে টিকিট কাটা যায়।

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময়সূচী নির্ধারণের কারণ:

  • কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময়সূচী নির্ধারণ করা হয় যাতে যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা আগে থেকেই করতে পারে।
  • এতে করে ট্রেনের আসনগুলো আগে থেকেই বুক হয়ে যায় এবং যাত্রীদের ভ্রমণের জন্য অনিশ্চয়তা থাকে না।

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময় সম্পর্কে কিছু টিপস:

  • আপনি যদি আপনার ভ্রমণের তারিখ আগে থেকেই জানেন, তাহলে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার আগেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • আপনি যদি ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন টিকিট কাটতে চান, তাহলে সকালে সকাল ৬ টার আগে স্টেশনে চলে যান।

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময় কতক্ষণ লাগে?

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার সময় নির্ভর করে ট্রেনের যাত্রা শুরুর তারিখ, সময় এবং ট্রেনের শ্রেণির উপর। সাধারণত, ট্রেনের যাত্রা শুরুর তারিখ যত কাছে আসে, টিকিট কাটার সময় তত বেশি লাগে। এছাড়াও, ট্রেনের শ্রেণি যত ভালো, টিকিট কাটার সময় তত বেশি লাগে।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টার পর থেকে টিকিট কাটা শুরু হয়। সাধারণত, ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ১১ টা পর্যন্ত টিকিট কাটা যায়। তবে, ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন ট্রেনের টিকিট খুব বেশি চাহিদা থাকলে, টিকিট শেষ হয়ে যেতে পারে।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • যাত্রীর জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
  • যাত্রীর পাসপোর্টের ফটোকপি (বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে)।

কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার পর করণীয়:

  • টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিন।
  • টিকিটটিতে যাত্রীর নাম, যাত্রার তারিখ, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন এবং আসনের নম্বর সঠিকভাবে আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • টিকিটটি ভ্রমণের সময় সাথে রাখুন।

ট্রেনের টিকিট কাটার নতুন নিয়ম

ট্রেনের টিকিট কাটার নতুন নিয়ম:

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৩ সালে নতুন নিয়ম চালু করেছে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য অবশ্যই যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি।
  • যাত্রীর জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
  • যাত্রীর পাসপোর্টের ফটোকপি (বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে)।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনের টিকিট কাটার পদ্ধতি:

  • অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে হলে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।
  • স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট কাটতে হলে, কাউন্টারে যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ দেখাতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে টিকিট কাটা যায়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে করণীয়:

  • টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিন।
  • টিকিটটিতে যাত্রীর নাম, যাত্রার তারিখ, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন এবং আসনের নম্বর সঠিকভাবে আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • টিকিটটি ভ্রমণের সময় সাথে রাখুন।

নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য:

  • টিকিট কাটার ক্ষেত্রে জালিয়াতি প্রতিরোধ করা।
  • টিকিট কাটার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।
  • যাত্রীদের ভ্রমণের সুবিধার্থে টিকিট কাটার পদ্ধতি সহজ করা।

বিকাশে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

বিকাশে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম:

প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র:

  • আপনার মোবাইল ফোন।
  • মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ।
  • আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট।
  • আপনার যাত্রীর তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ঠিকানা)।

বিকাশে ট্রেনের টিকিট কাটার পদ্ধতি:

  1. আপনার মোবাইলে বিকাশ অ্যাপটি খুলুন।
  2. “ট্রেনের টিকিট” ট্যাবটি নির্বাচন করুন।
  3. আপনার যাত্রার তথ্য (ট্রেনের নাম, ট্রেনের নম্বর, যাত্রা শুরুর স্টেশন, যাত্রা শেষের স্টেশন, যাত্রার তারিখ, যাত্রীর সংখ্যা) প্রদান করুন।
  4. “টিকিট সার্চ” বাটনে ক্লিক করুন।
  5. উপলব্ধ আসন দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দের আসনটি সিলেক্ট করুন।
  6. “টিকিট বুক করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
  7. আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট মূল্য পরিশোধ করুন।
  8. টিকিটটি আপনার ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে।

বিকাশে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা:

  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে বিকাশে টিকিট কাটা যায়।
  • ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন সকাল ৬ টা থেকে বিকাশে টিকিট কাটা যায়।

বিকাশে ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে করণীয়:

  • আপনার যাত্রীর তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন।
  • টিকিট মূল্য পরিশোধ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করুন।
  • টিকিটটি ভালোভাবে দেখে নিন।
  • টিকিটটি ভ্রমণের সময় সাথে রাখুন।

বিকাশে ট্রেনের টিকিট কাটার সুবিধা:

  • অনলাইনে বা অফলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা।
  • ট্রেনের সময়সূচী দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের আসন বিন্যাস দেখার সুবিধা।
  • ট্রেনের টিকিট বুক করার পর ইমেইল এবং অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট পাওয়ার সুবিধা।

বিকাশে ট্রেনের টিকিট কাটার টিপস:

  • আপনি যদি আপনার ভ্রমণের তারিখ আগে থেকেই জানেন, তাহলে ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার আগেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • ট্রেনের টিকিট কাটার সময়সীমা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই টিকিট কাটতে চেষ্টা করুন।
  • আপনি যদি ট্রেনের যাত্রা শুরুর দিন টিকিট কাটতে চান, তাহলে সকালে সকাল ৬ টার আগে বিকাশ অ্যাপটি খুলুন।বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট কাটার নিয়ম
আরো পড়ুনঃ  তানিয়া নামের রাশি কি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top