অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

Table of Contents

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

প্রশ্ন ১। আঞ্চলিক শক্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তি বলতে সেইসব রাষ্ট্রকে বোঝায় যাদের অর্থনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তির কারণে তারা তাদের আঞ্চলিক পরিসরে অন্য রাষ্ট্রের উপর আধিপত্য বিস্তার করে।

প্রশ্ন ২। আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের কারণগুলি কী কী?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের কারণগুলি নিম্নরূপ:

  • অর্থনৈতিক উন্নয়ন: অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
  • সামরিক শক্তি বৃদ্ধি: সামরিক শক্তি বৃদ্ধিও আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের অন্যতম কারণ।
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের জন্য সহায়ক।
  • ভৌগোলিক অবস্থান: সুবিধাজনক ভৌগোলিক অবস্থান আঞ্চলিক শক্তির উত্থানে ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন ৩। আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের ফলাফলগুলি কী কী?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের ফলাফলগুলি নিম্নরূপ:

  • আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি পায়।
  • আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।
  • আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্ন ৪। আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের প্রতিকার কী?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের প্রতিকারগুলি নিম্নরূপ:

  • আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির ভূমিকা বৃদ্ধি করা।
  • আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে সামরিক প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণ করা।

প্রশ্ন ৫। আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের উদাহরণগুলি কী কী?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের উদাহরণগুলি নিম্নরূপ:

  • যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকা মহাদেশে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
  • চীন এশিয়া মহাদেশে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
  • রাশিয়া ইউরোপ মহাদেশে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
  • ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

প্রশ্ন ৬। আঞ্চলিক শক্তির উত্থান বাংলাদেশের জন্য কী প্রভাব ফেলতে পারে?

উত্তর: আঞ্চলিক শক্তির উত্থান বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাব ফেলতে পারে।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

ইতিবাচক প্রভাব:

  • আঞ্চলিক শক্তির উত্থান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে।
  • আঞ্চলিক শক্তির উত্থান বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে।

নেতিবাচক প্রভাব:

  • আঞ্চলিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের স্বার্থে হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
  • আঞ্চলিক শক্তির সামরিক উত্তেজনা বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকির কারণ হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ  ছবি এডিট করার ব্যাকগ্রাউন্ড apps download

বাংলাদেশের জন্য আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের ইতিবাচক প্রভাবকে কাজে লাগানোর জন্য এবং নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের সরকারের সতর্ক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১। ইতিহাস বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ইতিহাস বলতে অতীতের ঘটনাবলীর ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করাকে বোঝায়।

প্রশ্ন ২। ইতিহাসের উৎপত্তি ও বিকাশের কারণগুলি কী কী?

উত্তর: ইতিহাসের উৎপত্তি ও বিকাশের কারণগুলি নিম্নরূপ:

  • মানুষের ইতিবাচক ও নেতিবাচক অভিজ্ঞতা সংরক্ষণের প্রয়োজন।
  • মানুষের অতীতের সাথে বর্তমানের সম্পর্ক বুঝার প্রয়োজন।
  • মানুষের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার প্রয়োজন।

প্রশ্ন ৩। ইতিহাসের প্রধান শাখাগুলি কী কী?

উত্তর: ইতিহাসের প্রধান শাখাগুলি নিম্নরূপ:

  • সামাজিক ইতিহাস: সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাস।
  • রাজনৈতিক ইতিহাস: রাষ্ট্র ও সরকারের ইতিহাস।
  • অর্থনৈতিক ইতিহাস: অর্থনীতির ইতিহাস।
  • সামরিক ইতিহাস: যুদ্ধ ও শান্তির ইতিহাস।
  • সাংস্কৃতিক ইতিহাস: শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, ধর্ম ইত্যাদির ইতিহাস।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

প্রশ্ন ৪। ইতিহাসের উপাদানগুলি কী কী?

উত্তর: ইতিহাসের উপাদানগুলি নিম্নরূপ:

  • লিখিত উপাদান: পুস্তক, দলিল, পত্র, পত্রিকা, ইত্যাদি।
  • অলিখিত উপাদান: প্রত্নবস্তু, ভাস্কর্য, মুদ্রা, ইত্যাদি।
  • কথ্য উপাদান: লোকমুখে প্রচলিত গল্প, কবিতা, গাথা, ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৫। ইতিহাসের গুরুত্ব কী?

উত্তর: ইতিহাসের গুরুত্ব নিম্নরূপ:

  • ইতিহাস আমাদের অতীতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।
  • ইতিহাস আমাদের বর্তমানকে বুঝতে সাহায্য করে।
  • ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
  • ইতিহাস আমাদের জাতীয় চেতনা ও ঐতিহ্য গঠনে সাহায্য করে।
  • ইতিহাস আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৬। ইতিহাসের ঐতিহাসিক পদ্ধতি কী?

উত্তর: ইতিহাসের ঐতিহাসিক পদ্ধতি বলতে ইতিহাসের ঘটনাবলীর সঠিক ও যথাযথ বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বোঝায়।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

ঐতিহাসিক পদ্ধতির প্রধান ধাপগুলি হল:

  • সূত্র সংগ্রহ: ইতিহাসের ঘটনাবলী জানার জন্য সূত্র সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
  • সূত্র বিশ্লেষণ: সংগৃহীত সূত্রগুলির সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
  • ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ: সত্য প্রমাণিত সূত্রগুলির আলোকে ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
  • উপসংহার: ঘটনাবলীর বিশ্লেষণের ভিত্তিতে উপসংহার প্রদান করা প্রয়োজন।

প্রশ্ন ৭। ইতিহাসের মূল্যবোধ কী?

উত্তর: ইতিহাসের মূল্যবোধ বলতে ইতিহাসের শিক্ষা থেকে আমরা যে মূল্যবোধ লাভ করি তাকে বোঝায়।

আরো পড়ুনঃ  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য কে ছিলেন

ইতিহাসের মূল্যবোধগুলি হল:

  • সত্যনিষ্ঠতা: ইতিহাসের মূল্যবোধের মধ্যে অন্যতম হল সত্যনিষ্ঠতা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: ইতিহাসের মূল্যবোধের মধ্যে অন্যতম হল ন্যায়পরায়ণতা।
  • উদারতা: ইতিহাসের মূল্যবোধের মধ্যে অন্যতম হল উদারতা।
  • সাহস: ইতিহাসের মূল্যবোধের মধ্যে অন্যতম হল সাহস।
  • ঐক্য: ইতি

অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১। পরিবেশ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: পরিবেশ বলতে সেই সমস্ত জড় ও জীব জগতের উপাদানসমূহের সমষ্টিকে বোঝায় যা আমাদের চারপাশে বিরাজমান।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

প্রশ্ন ২। পরিবেশের উপাদানগুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশের উপাদানগুলিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

  • জড় পরিবেশ: বায়ু, জল, মাটি, আলো, তাপ, শব্দ ইত্যাদি।
  • জীব পরিবেশ: উদ্ভিদ, প্রাণী, জীবাণু ইত্যাদি।
  • মানব পরিবেশ: মানুষের বসবাস, কর্মকাণ্ড, সংস্কৃতি ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩। পরিবেশের গুরুত্ব কী?

উত্তর: পরিবেশের গুরুত্ব নিম্নরূপ:

  • মানুষের অস্তিত্বের জন্য পরিবেশ অপরিহার্য।
  • পরিবেশ আমাদের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করে।
  • পরিবেশ আমাদের জীবনকে সুন্দর ও আরামদায়ক করে তোলে।
  • পরিবেশ আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে।

প্রশ্ন ৪। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উপায়গুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উপায়গুলি নিম্নরূপ:

  • জলাশয় দূষণ রোধ করা।
  • বায়ু দূষণ রোধ করা।
  • মাটি দূষণ রোধ করা।
  • বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা।
  • বন উজাড় রোধ করা।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

প্রশ্ন ৫। পরিবেশ দূষণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: পরিবেশ দূষণ বলতে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্টকারী যেকোনো কার্যকলাপকে বোঝায়।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

প্রশ্ন ৬। পরিবেশ দূষণের কারণগুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশ দূষণের কারণগুলি নিম্নরূপ:

  • শিল্পকারখানার বর্জ্য।
  • যানবাহনের নিঃসরণ।
  • কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার।
  • বন উজাড়।
  • বর্জ্য অপসারণের অপ্রতুল ব্যবস্থা।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

প্রশ্ন ৭। পরিবেশ দূষণের ফলাফলগুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশ দূষণের ফলাফলগুলি নিম্নরূপ:

  • মানুষের স্বাস্থ্যহানি।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি।
  • অর্থনৈতিক ক্ষতি।
  • সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি।

প্রশ্ন ৮। পরিবেশ দূষণ রোধের উপায়গুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশ দূষণ রোধের উপায়গুলি নিম্নরূপ:

  • শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা করা।
  • যানবাহনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা।
  • কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার কমানো।
  • বন উজাড় রোধ করা।
  • বর্জ্য অপসারণের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থা করা।
  • পরিবেশ দূষণের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আরো পড়ুনঃ  মেয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছা কবিতা

প্রশ্ন ৯। পরিবেশ রক্ষার উপায়গুলি কী কী?

উত্তর: পরিবেশ রক্ষার উপায়গুলি নিম্নরূপ:

  • পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
  • পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য সচেষ্ট হওয়া।
  • পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা।

পরিবেশ রক্ষা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমরা সকলে মিলে পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেষ্ট হলে আমাদের পরিবেশ সুন্দর ও টেকসই থাকবে।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস অষ্টম অধ্যায়

অষ্টম অধ্যায়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী ঘটনাবলি

১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের পর বাংলাদেশ তৎকালীন পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুটি অংশের মধ্যে ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসন ইত্যাদি ক্ষেত্রে অনেক বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। এসব বৈষম্যের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলন তীব্রতর হয়ে ওঠে।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ নারকীয় হত্যাযজ্ঞের ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা প্রবল হয়ে ওঠে।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ মাস স্থায়ী হয়। এই যুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ বিজয় অর্জন করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী ঘটনাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগ
  • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  • ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন
  • ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান
  • ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন
  • ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী ঘটনাবলী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি রচনা করেছিল। এই ঘটনাবলির ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতা চেতনা প্রবল হয়ে ওঠে এবং তারা স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করতে উৎসাহিত হয়।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় অধ্যায় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী ঘটনাবলির গুরুত্ব নিম্নরূপ:

  • এই ঘটনাবলির ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতা চেতনা প্রবল হয়ে ওঠে।
  • এই ঘটনাবলির ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করতে উৎসাহিত হয়।
  • এই ঘটনাবলির ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি রচিত হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top